REVEALED: How shadowy unit of government 'thought police' set up by ex-MI6 agent is trying to keep a lid on Britain's simmering racial tensions
· Daily Mail

· Daily Mail

· Prothom Alo

শিরোনামকেই যেহেতু ‘বিচিত্র বীক্ষণ’ নামে অলংকৃত করা হয়েছে, তাই এই লেখকের সচেতন একটি প্রয়াস থাকবে—প্রবাসের মাটিতে, বিশেষত আমেরিকার টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহরে, কীভাবে পেশাদার মানের শুদ্ধ বাংলা মঞ্চনাটক নির্মিত ও মঞ্চস্থ হয়, তার নেপথ্যের নানান ‘বিচিত্র’ অনুষঙ্গ পাঠকের সামনে উন্মোচন করা। কারণ, প্রবাসে বাংলা নাটক মানেই যে কেবল নস্টালজিয়ার মঞ্চায়ন নয়, বরং তা যে শিল্পশৃঙ্খলা, সাংগঠনিক নিষ্ঠা এবং সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য সমন্বয়—সেই বাস্তবতাও তুলে ধরা প্রয়োজন।
Visit extonnews.click for more information.
তবে সেই বিচিত্র অন্দরে প্রবেশের আগে কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য পাঠকের জ্ঞাতার্থে উল্লেখ করা যাক। ডালাসভিত্তিক অলাভজনক—তবে মোটেই অপেশাদার নয়—নাট্যদল ‘ডালাস বাংলা থিয়েটার’ (ডিবিটি) গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে বাংলা নাট্যচর্চাকে প্রবাসের মাটিতে বাঁচিয়ে রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দলটি ইতিমধ্যে ১৪টি ভিন্নধর্মী বাংলা নাটক মঞ্চস্থ করেছে, যার সর্বশেষ সংযোজন ‘কঞ্জুস’। ২০২৬ সালের ১৫ ও ১৬ মে টেক্সাসের আরভিং আর্ট সেন্টারের কানায় কানায় পূর্ণ ডুপ্রি থিয়েটার হলে নাটকটির দুটি সফল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি নাট্যকার মলিয়েরের কালজয়ী নাটক ‘দ্য মাইজার’-এর বাংলা নাট্যরূপ দিয়েছেন তারিক আনম খান, আর প্রযোজনাটি নির্দেশনা দিয়েছেন ডিবিটির সাধারণ সম্পাদক ও নাট্যব্যক্তিত্ব জিয়াউল হক জিয়া।
নাটকটি মঞ্চায়নের আগে টানা ছয় মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫০টির বেশি দলীয় মহড়া—প্রতিটি গড়ে প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন, নাটকের সব কুশীলবই নিজ নিজ পেশাজীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত; নিছক নাটকের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তাঁরা এই দীর্ঘ ও শ্রমসাধ্য মহড়ায় অংশ নিয়েছেন। আর সেই অংশগ্রহণও মোটেই সহজ ছিল না। আয়তনে ডালাস মেট্রোপলিটন এলাকা ঢাকার তুলনায় অন্তত ২০ গুণ বড়, উপরন্তু অফিস-শেষের যানজটও কোনো অংশে ঢাকার চেয়ে কম দুর্বিষহ নয়। সেই ক্লান্তিকর ট্রাফিক পেরিয়ে শহরের নানা প্রান্ত থেকে সপ্তাহে দুই দিন নাট্যকর্মীদের ছুটে আসতে হয়েছে—প্রায় প্রত্যেককেই এক ঘণ্টার বেশি সময় গাড়ি চালিয়ে। এমনকি মহড়ার উপযোগী কক্ষ ভাড়া করার সামর্থ্য না থাকায়, একটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন বৃহৎ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লবিকেই (তাদের অফিস ছুটির পর) সাময়িক মহড়াকক্ষে রূপ দিতে হয়েছে।
এতক্ষণ গেল অভিনেতাদের আত্মত্যাগের কথা। কিন্তু প্রবাসে এমন পেশাদার মানের একটি প্রযোজনা যে কত স্তরের মানুষের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় সম্পন্ন হয়, তার পুরোটা লেখা সম্ভব না হলেও খানিকটা উল্লেখ করতেই হয়। প্রথমেই বলতে হয় আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যবস্থার কথা—যেখানে সামাজিক বা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান অলাভজনক ভিত্তিতে পরিচালিত হলে তারা সরকারি ‘নন-প্রফিট’ স্বীকৃতি লাভ করে। এই স্বীকৃতির ফলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবা ক্রয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধা যেমন পাওয়া যায়, তেমনি অনেক বড় মার্কিন কোম্পানিও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিশেষ মূল্যছাড় প্রদান করে। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়েছে ডালাস বাংলা থিয়েটার। প্রযোজনাটির স্যুভেনির, টিকিট, পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট থেকে শুরু করে মঞ্চসজ্জায় ব্যবহৃত বিশাল পর্দা—সব ধরনের ছাপানোর কাজে ফিডেক্স উল্লেখযোগ্য সহায়তা প্রদান করেছে।
এখন আসা যাক ডিবিটির ‘কঞ্জুস’ প্রযোজনায় ব্যবহৃত টেক্সাসের আরভিং আর্ট সেন্টারের ডুপ্রি থিয়েটার হল প্রসঙ্গে। বিশ্বমানের এই থিয়েটার হলে সারা বছর ধরেই বিশ্বের নানা প্রান্তের নাট্যদল তাদের প্রযোজনা মঞ্চস্থ করে। প্রায় ২৫০ দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই হলে মূল মঞ্চ ঘিরে প্রায় ২২০ ডিগ্রি কোণে দর্শক আসনের বিন্যাস—যা দর্শককে নাটকের আরও নিবিড় অংশীদার করে তোলে। এর সঙ্গে আছে মঞ্চের চারদিকে প্রথিত (ইন্টিগ্রেটেড) অত্যাধুনিক সমন্বিত শব্দগ্রহণ ব্যবস্থা, যা অভিনয়শিল্পীদের চলাফেরার ভিত্তিতে বিভিন্ন মাইক্রোফোন থেকে শব্দ সংগ্রহ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রযুক্তির মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে হলজুড়ে স্টেরিও সাউন্ড প্রক্ষেপণ করে। মঞ্চের আলোকসজ্জা, গ্রিনরুম ও সার্বিক ব্যবস্থাপনাও ছিল প্রশংসনীয়। এমনকি থিয়েটারের যন্ত্রপাতি পরিচালনা, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত ব্যবহারের জন্য কলাকুশলীদের একাধিক ধাপের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণও প্রদান করে হল কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে মঞ্চনাটকের জন্য এটি এক আদর্শ পরিবেশ। আর বলাই বাহুল্য, এমন বিশ্বমানের হলের ভাড়াও কম নয়; তবে সরকারি অলাভজনক সনদের সুবাদে ডিবিটি কিছুটা মূল্যছাড় লাভ করে।
প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার পাশাপাশি এই প্রযোজনার জন্য ডিবিটি পেয়েছে অসংখ্য মানুষের সরাসরি আর্থিক সহায়তা, মেধা, শ্রম, সময় এবং সর্বোপরি অকৃত্রিম ভালোবাসা। নাটকের মূল মঞ্চপর্দা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল আশির দশকের পুরোনো ঢাকার একটি জরাজীর্ণ বাড়ির থ্রিডি নকশা, যা নাট্যরূপের আবহের সঙ্গে চমৎকারভাবে মানিয়ে যায়। প্রায় তিন মাসের নিরলস পরিশ্রমে নির্মিত সেই ডিজাইন এতটাই বাস্তবধর্মী হয়েছিল যে দর্শকদের অনেকের কাছেই মনে হয়েছে যেন তাঁরা সত্যিই পুরান ঢাকার কোনো প্রাচীন অন্দরমহলে এসে উপস্থিত হয়েছেন। এ ছাড়া আলোকসম্পাত, শব্দ পরিকল্পনা, মঞ্চ ব্যবস্থাপনা, রূপসজ্জা, পোশাক, ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির সঙ্গে জড়িত সব কলাকুশলী বিনা মূল্যেই পেশাদার মানের কাজ উপহার দিয়েছেন—শুধু বাংলা সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা থেকে। মানুষের এই নিঃস্বার্থ অংশগ্রহণ, পৃষ্ঠপোষকতা ও আন্তরিকতা ছাড়া এমন একটি প্রযোজনা বাস্তবায়ন প্রায় অসম্ভবই ছিল।
ডিবিটির নাট্যমান নিয়ে কথা বলতে গেলে অবধারিতভাবেই চলে আসে প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদের প্রসঙ্গ। ১ নভেম্বর ২০২৫ সালে ডিবিটি আয়োজিত একটি নাট্য কর্মশালার সমাপনী বক্তব্যে তিনি মন্তব্য করেছিলেন—প্রবাসের তীব্র যান্ত্রিক ও বিজাতীয় সামাজিক বাস্তবতায়, ভিন্ন পেশায় সম্পৃক্ত থাকার পরও ডিবিটির সদস্যরা যে শ্রম, মেধা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নাটক মঞ্চস্থ করেন, তার মান বাংলাদেশের অনেক পেশাদার নাট্যদলের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে আরও উন্নত। একজন অভিজ্ঞ নাট্যব্যক্তিত্বের মুখে এমন মূল্যায়ন নিঃসন্দেহে ডিবিটির দীর্ঘদিনের নিষ্ঠারই স্বীকৃতি।
এবার আসা যাক ‘কঞ্জুস’-এর প্রযোজনাগত মান বিশ্লেষণে। ‘কমেডি অব ম্যানার’ মলিয়েরের নাটকের প্রধান উপজীব্য, আর ‘কঞ্জুস’ও তার ব্যতিক্রম নয়। ক্ষিপ্রগতির তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত সংলাপ, দ্রুত দৃশ্যান্তর, আর তার সঙ্গে গান ও নাচের প্রাণবন্ত সংমিশ্রণ—এই সবকিছু মিলিয়েই গড়ে ওঠে মলিয়েরীয় নাটকের স্বতন্ত্র জাদু, যা দর্শককে এক মুহূর্তের জন্যও মনঃসংযোগ হারাতে দেয় না। তারিক আনম খান সেই জাদুকে অক্ষুণ্ন রেখেই নির্মাণ করেছেন এক অনবদ্য বাংলা নাট্যরূপ। আশির দশকের পুরান ঢাকার এক পরিবারকে কেন্দ্র করে, খানিকটা উর্দুমিশ্রিত খাঁটি পুরান ঢাকাইয়া ভাষায় নাটকটি তার কাহিনির বিস্তার ঘটিয়েছে অত্যন্ত সাবলীলভাবে। আর বলাই বাহুল্য, এমন টানটান ছন্দের কমেডি সফলভাবে মঞ্চস্থ করতে অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি দলগত সমন্বয়েরও এক উচ্চমাত্রার মুনশিয়ানা প্রয়োজন হয়।
ডিবিটির সব নাট্যশিল্পী অত্যন্ত সচেতনভাবেই এই কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। নিজেদের মেধা, শ্রম ও অভিনয়দক্ষতা উজাড় করে দিয়েছেন শুধু এই অস্থির সময়ে দর্শকদের অন্তত দুই ঘণ্টার স্বস্তি উপহার দেওয়ার জন্য—মঞ্চনাটকের অনন্য সৌন্দর্য ও শিল্পরূপকে দর্শকের মননে পুনরায় প্রোথিত করার জন্য। শিল্পের প্রতি যেমন তাঁদের দায়বদ্ধতা ছিল, তেমনি ছিল অসংখ্য পৃষ্ঠপোষক ও শুভানুধ্যায়ীর প্রতি দায়িত্ববোধও। তাই অভিনয়ের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁরা কাঁধে তুলে নিয়েছেন নাট্যপ্রযোজনার নানামুখী দায়ভার। এই সবকিছুর পেছনে ছিল এক বৃহত্তর সামাজিক দায়বদ্ধতা—প্রবাসী মানুষকে বাংলা মঞ্চনাটকের স্পর্শ পৌঁছে দেওয়া, বাংলার মাটির সঙ্গে আবেগের সেতুবন্ধ তৈরি করা এবং প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সংস্কৃতির ধারাবাহিকতাকে অক্ষুণ্ন রাখা। ডিবিটির এই বহুমাত্রিক শিল্পীসমাজে যেমন ছিলেন চার দশকের বেশি সময় ধরে গ্রুপ থিয়েটারের সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পীরা, তেমনি ছিলেন বৃহৎ প্রযোজনায় একেবারেই নবাগত মুখও। আবার ছিলেন আলপনা হকের মতো অভিজ্ঞ নাট্যব্যক্তিত্ব, যিনি বাংলাদেশে লোকনাট্যদলের হয়ে শুধু ‘কঞ্জুস’-এরই ৩৬০টির বেশি মঞ্চায়নে অংশ নিয়েছেন।
ছয় মাসের নিরলস পরিশ্রম ও দীর্ঘ মহড়ার পর, দুই দিনের দুই প্রদর্শনীতে ডিবিটির শিল্পীরা যেন ‘কঞ্জুস’ নাটকটিকে মঞ্চে কেবল অভিনয়ই করেননি—উদ্যাপন করেছেন। তাঁদের প্রতিটি সংলাপ, চলাফেরা, গান ও নৃত্যে ফুটে উঠেছে সেই নিবেদন। সর্বোচ্চ আন্তরিকতায় তাঁরা চেষ্টা করেছেন একটি সার্থক শিল্পরূপ দর্শকের সামনে তুলে ধরতে এবং মানুষকে নির্মল আনন্দ দিতে। আর দর্শকপ্রিয়তার প্রশ্নে—দুই দিনেরই ‘ফুল হাউস’ প্রদর্শনী যেন বাংলা মঞ্চনাটকের প্রতি দর্শকদের অকৃত্রিম ভালোবাসারই প্রমাণ। পুরো নাটকে দর্শকসারির হাসির রোল স্পষ্টভাবে জানান দিয়েছে নাটকের সঙ্গে তাঁদের একাত্মতা ও গ্রহণযোগ্যতার কথা। মঞ্চায়ন-পরবর্তী দর্শক প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অসংখ্য প্রশংসাসূচক পোস্ট সেই ভালোবাসাকে আরও সুস্পষ্ট ও দৃঢ় করেছে।
মঞ্চনাটক দিনশেষে একটি সম্মিলিত শিল্পপ্রয়াস; এর সাফল্য কিংবা ব্যর্থতার দায়ভারও দলগতভাবেই ভাগ হয়ে যায়। এরপরও কিছু কিছু অভিনয়শিল্পীর ব্যক্তিগত মুনশিয়ানা দর্শকের হৃদয়কে একটু বেশি নিবিড়ভাবে স্পর্শ করে। এই প্রযোজনায় নাটকের প্রধান চরিত্র হায়দার আলী খান ওরফে ‘কঞ্জুস’-এর ভূমিকায় জিয়াউল হক জিয়া তাঁর অভিজ্ঞ ও নিয়ন্ত্রিত অভিনয়ের মাধ্যমে চরিত্রটিকে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। একইভাবে লাইলী চরিত্রে মঞ্চনাটকের গুণী ও শক্তিশালী তরুণ অভিনয়শিল্পী অর্নিলা গুহ নোলকের স্বতঃস্ফূর্ত, প্রাণবন্ত এবং অনবদ্য অভিনয় শুধু সাধারণ দর্শকদেরই নয়, নাট্যবোদ্ধাদেরও মুগ্ধ করেছে। আর কালা মিয়া চরিত্রে সাইফ বিন সালাহ তাঁর অসাধারণ কমেডি টাইমিং ও অভিনয়নৈপুণ্যে দর্শকদের বারবার হাসিতে ভাসিয়েছেন; বলা যায়, এই কমেডি নাটকের প্রাণপ্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
সবশেষে বলতে হয়, মলিয়েরের অন্যান্য নাটকের মতো ‘কঞ্জুস’-এও মানব রিপু, তথাকথিত অভিজাত সমাজের কৃত্রিমতা, বিলাসিতা, পরচর্চা এবং উত্থানশীল অর্থলোভী বুর্জোয়া মানসিকতাকে তিনি তীব্র ব্যঙ্গের মাধ্যমে উন্মোচন করেছেন। সেই ব্যঙ্গের আড়ালেই ধরা পড়ে মানবমনের নিচতা, শঠতা এবং সমাজব্যবস্থার নির্মম বাস্তবতা। আর ঠিক এখানেই মলিয়েরের প্রকৃত জাদু—তিনি অনায়াসে কমেডিকে ট্র্যাজেডির গভীরতায় উন্নীত করতে পারেন। ডিবিটির ‘কঞ্জুস’ প্রযোজনাটি সেই মলিয়েরীয় জাদুকে অক্ষুণ্ন রেখে দর্শককে নির্মল আনন্দ দেওয়ার এক সফল ও স্মরণীয় প্রয়াস হয়ে থাকবে।
*লেখক: ইশতিয়াক রহমান, সেমিকন্ডাক্টর প্রসেস ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার, টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টস এবং নাট্যকর্মী
দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]
· Brisbane Times