How a global pandemic helped Olympian Josie Baff clinch gold
· Sydney Morning Herald
· Sydney Morning Herald
· Prothom Alo

মিনারুল হকের বাগানে এখন আর মৌসুমের সেই কোলাহল নেই। কয়েক সপ্তাহ আগেও থাই চিয়াংমাই, ব্রুনেই কিং, রেড পালমার কিংবা হানিডিউ আমগাছের নিচে ভিড় করতেন ক্রেতারা। কেউ গাছ থেকে পছন্দের আম বেছে নিচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার আগেই বুকিং দেওয়া আম বুঝে নিচ্ছেন। এখন সেই গাছগুলোর বেশির ভাগই ফলশূন্য। শেষ মৌসুমের বারি-৪ আম ঝুলছে হাতে গোনা কয়েকটি গাছে। সেগুলোও আর কয়েক দিনের অতিথি।
Visit betsport.cv for more information.
তবে মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই বিক্রি হয়ে গেছে বাগানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আমগুলো। কারণ, এগুলো সাধারণ কোনো আম নয়। কোনোটি কলার মতো লম্বাটে, কোনোটি পাকলেও খোসায় লাল আভা ধরে রাখে, আবার কোনোটি ‘মধুর’ মতো মিষ্টি স্বাদের জন্য পরিচিত। এসব ব্যতিক্রমী আমই বদলে দিয়েছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার খিতাপচর গ্রামের কৃষক মিনারুল হকের (৬০) জীবন।
এবারের মৌসুমে দেশি জাতের আম্রপালি ও বারি-৪ এর পাশাপাশি তাঁদের বাগানে ছিল থাইল্যান্ডের বারোমাসি কাটিমন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো, কিউজাই, চিয়াংমাই, হানিডিউ ও কিং অব চাকাপাত, ব্ল্যাক স্টোন, ব্রুনেইয়ের ব্রুনেই কিং, যুক্তরাষ্ট্রের রেড পালমার এবং চীনের রেড আইভরিসহ ১৩ জাতের আম। এসব বিরল আম দেখতে, স্বাদ নিতে ও কিনতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে মানুষ ছুটে এসেছেন। মৌসুমজুড়ে প্রায় ১০ হাজার কেজি আম বিক্রি করে আয় হয়েছে ৮ লাখ টাকার বেশি।
মিনারুল হক বলেন, ‘ভয়ে ভয়ে এসব বিদেশি জাতের আমের চারা লাগিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল, আমাদের আবহাওয়ায় ফলন হবে কি না। কিন্তু ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি ক্রেতারও অভাব হয়নি। আগামী মৌসুমে আরও বড় পরিসরে আমের চাষ করব।’
বোয়ালখালীতে আমবাগানে চাষি মিনারুল হককৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, বাগানের প্রতিটি জাতের আমেরই রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। আম্রপালি ও বারি-৪ উচ্চ ফলনশীল ও বাণিজ্যিকভাবে জনপ্রিয়। বারোমাসি কাটিমন বছরে একাধিকবার ফল দেওয়ার সক্ষমতার জন্য পরিচিত। ব্যানানা ম্যাঙ্গো আকারে লম্বাটে, আর রেড পালমার পাকলে খোসায় লালচে আভা ফুটে ওঠে। অন্যদিকে থাই চিয়াংমাই, থাই কিউজাই, ব্রুনেই কিং, হানিডিউ, ব্ল্যাক স্টোন ও কিং অব চাকাপাত জাতগুলো আকার, রং, স্বাদ, সুগন্ধ এবং পাকার সময়ের দিক থেকে একে অন্যের থেকে ভিন্ন। ফলে মে মাস থেকে মৌসুমের শেষ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে আম সংগ্রহ করা যায়। এতে দীর্ঘ সময় ধরে বাজারে বিভিন্ন জাতের আম সরবরাহ সম্ভব হয়।
মো. শাহানুর ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, বোয়ালখালীএই পরিবারের মাসিক আয় এক লাখ টাকার বেশি। তাঁদের সাফল্য দেখে এলাকার অনেক কৃষক এখন ফলের বাগান ও সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে তুলতে আগ্রহী হচ্ছেনজানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) ফল বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মসিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বারোমাসি কাটিমন, ব্যানানা ম্যাঙ্গো, কিউজাই, চিয়াংমাই, হানিডিউ ও ব্ল্যাক স্টোনসহ বিভিন্ন বিদেশি জাতের আম নিয়ে বারিও গবেষণা করছে। এসব জাতের মধ্যে কয়েকটি বাংলাদেশের আবহাওয়ায় ভালো সম্ভাবনা দেখিয়েছে। বিশেষ করে ব্যানানা ম্যাঙ্গো ও কাটিমন তুলনামূলক ভালো ফলন দিচ্ছে। তবে অধিকাংশ বিদেশি জাত এখনো সীমিত পরিসরে চাষ হচ্ছে। বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে চাষ আগে সেগুলোর ফলন, রোগবালাই সহনশীলতা এবং স্থানীয় পরিবেশে অভিযোজন নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
বরই দিয়ে শুরু
ছয় বছর আগেও মিনারুল হকের অধিকাংশ জমি ছিল অনাবাদি। জোয়ারের সময় লোনা পানি ঢুকে পড়ত। আগাছায় ভরা সেই জমিতে চাষাবাদের কথা কেউ ভাবতেন না। অন্যদিকে তাঁর দুই ছেলে তানভীরুল হক ও সাইদুল হক উচ্চমাধ্যমিকের পর চাকরির আশায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেও সফল হচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত তাঁরা চাকরির পেছনে না ছুটে বাবার পরিত্যক্ত জমিতেই ভবিষ্যৎ গড়ার সিদ্ধান্ত নেন।
মাত্র ৩৫ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ৭০টি বরইগাছ লাগিয়ে শুরু হয় তাঁদের যাত্রা। সেই উদ্যোগই আজ ১০ একরজুড়ে বিস্তৃত ‘মেসার্স হক অ্যাগ্রো ফার্ম’-এ পরিণত হয়েছে।
মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই বিক্রি হয়ে গেছে বাগানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আমগুলো। কারণ, এগুলো সাধারণ কোনো আম নয়। কোনোটি কলার মতো লম্বাটে, কোনোটি পাকলেও খোসায় লাল আভা ধরে রাখে, আবার কোনোটি ‘মধুর’ মতো মিষ্টি স্বাদের জন্য পরিচিত।
বর্তমানে বাগানটিতে রয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার ফল গাছ। আমের পাশাপাশি বরই, পেয়ারা, মাল্টা, কলা, ডাব ও সুপারির বাগান রয়েছে। আছে মাছের ঘের, গরু, ছাগল ও হাঁসের খামার। খামারের বর্জ্য থেকেই তৈরি হয় জৈব সার, আবার সেই সারই ব্যবহার করা হয় ফল গাছে। পুরো খামারটি এখন সমন্বিত কৃষিব্যবস্থার একটি উদাহরণ।
হলুদরঙা কাঁচা খেজুর, আসলেই কি মিসর-দুবাইয়েরতবে এই খামারের সবচেয়ে বড় পরিচিতি ব্যতিক্রমী আম। তানভীরুল হক বলেন, ‘সবাই যখন একই ধরনের আমের চাষ করছেন, তখন আমরা ভেবেছি এমন কিছু করব, যা অন্যদের থেকে আলাদা। তাই বিভিন্ন দেশ থেকে অজনপ্রিয় জাতের আমের চারা সংগ্রহ করেছি। এখন অনেকেই নির্দিষ্ট একটি জাতের আমের খোঁজে আমাদের বাগানে আসেন।’
এখানে ফল বিক্রির জন্য বাজারে যেতে হয় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা পরিচিতদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মানুষ পরিবার নিয়ে সরাসরি বাগানে আসেন। কেউ গাছ থেকে নিজের পছন্দের আম তুলে নেন, কেউ আবার আগেই বুকিং দিয়ে রাখেন। এ বছর মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই প্রায় সব আম বিক্রি হয়ে গেছে।
বাগানের রেড পালমার আম হাতে মিনারুল হকের ছেলে তানভীরুল হকশুধু আম নয়, একই মৌসুমে পেয়ারা বিক্রি হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকার, বরই ৫ লাখ টাকার, সুপারি ৪ লাখ টাকার, ডাব ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এবং কলা প্রায় ১ লাখ টাকার। সব মিলিয়ে গত এক বছরে এই খামার থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকা আয় হয়েছে।
এই খামার এখন শুধু একটি পরিবারের আয়ের উৎস নয়, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানেরও জায়গা। এখানে নিয়মিত চারজন শ্রমিক কাজ করেন। মৌসুমে কাজের চাপ বাড়লে আরও শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়।
বাজারে এখন আম্রপালির রাজত্ব, দাম কেমনএই বাগানই বদলে দিয়েছে মিনারুল হকের পরিবারের জীবন। একসময় কৃষিকাজই ছিল সংসারের একমাত্র ভরসা। কিন্তু অল্প জমিতে চাষাবাদ করে যা আয় হতো, তা দিয়ে পাঁচ সদস্যের পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচই মেটানো কঠিন ছিল। অনেক সময় ধারদেনা করেও সংসার চালাতে হয়েছে। ব্যতিক্রমী ফলের বাগান গড়ে তোলার পর ধীরে ধীরে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করে। এখন এই বাগানই তাঁদের পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস।
মিনারুল হক বলেন, ‘একসময় মানুষ বলত, এই জমিতে কিছুই হবে না। এখন সেই মানুষই বাগান দেখতে আসে, চারা নিয়ে যায়, পরামর্শ চায়। এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।’
জানতে চাইলে বোয়ালখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহানুর ইসলাম বলেন, এই পরিবারের মাসিক আয় এক লাখ টাকার বেশি। তাঁদের সাফল্য দেখে এলাকার অনেক কৃষক এখন ফলের বাগান ও সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে তুলতে আগ্রহী হচ্ছেন।
· Yahoo Sports
John Tortorella led the Vegas Golden Knights to the Stanley Cup Final. He fixed a broken team in record time. Yet the organization fired him just two days after the season ended. This decision leaves the 68-year-old coach stunned and disappointed. He believes he earned a chance to finish the job. The Golden Knights chose a different path instead. Fans everywhere are asking why the winning coach got the axe.
Visit moryak.biz for more information.
The situation feels wrong to many hockey observers. Tortorella stepped in with only eight games left in the regular season. He turned the team around immediately. The Knights finished the regular season with a 7-0-1 record. They swept the Presidents’ Trophy-winning Colorado Avalanche in the conference finals. That performance proved his worth as a leader. The team then led the Final 2-1 over Carolina. They only lost the next three games. Despite this near-victory, the front office made a hard choice.
Tortorella admitted he felt “disappointed” by the decision. He spoke to The Athletic about the meeting with General Manager Kelly McCrimmon. The two met the morning after the final game. Tortorella was honest with McCrimmon about his feelings. McCrimmon delivered the bad news directly. He told the coach that Ryan Craig would lead the team next year. Craig had previously led the Golden Knights’ AHL affiliate. The organization stuck to this plan immediately.
Tortorella said, “I guess the word I’d use is ‘disappointed’.” He respected the organization’s direction but wanted to stay. He stated, “I truly respect where the organization is going.” However, his desire to coach remained strong. He told reporters, “Oh, I want to coach. I want to coach now.” The veteran coach knows his career stage is unique. He admitted, “I’m not sure if that happens, and that’s where I am in my career.” The loss of this opportunity hurts deeply. He said, “But I wanted to coach that Vegas team.” The emotional toll is clear in his words.
This run ended a painful drought for Tortorella. His teams had not advanced past the second round for over a decade. He won a Stanley Cup with Tampa Bay in 2003-04. That success defined his early career. Now, at 68, he faces another potential retirement. He is still trying to process the near-miss. Tortorella said, “I’m still, quite honestly, I’m still trying to swallow how close we were.” He also struggles with his exclusion from the next chapter. He wants to lead that specific group again. The Golden Knights passed on that chance.
This move looks like a major gamble by Vegas. They ignored a coach who delivered a Final appearance. Tortorella turned a struggling squad into a contender. He swept a top team in the West. The organization replaced him with an AHL coach. This decision ignores the momentum Tortorella created. Fans will remember the success, not the internal politics. The GM stuck to a plan instead of riding the wave. That logic is hard to defend in the sports world.
Tortorella’s experience is a rare asset. He has coached six NHL teams in his career. His leadership style is proven in high-pressure moments. The Golden Knights lost that edge. They might regret this choice if the team struggles next year. The coach’s fire is exactly what playoff teams need. Vegas had it, then they threw it away. The decision prioritizes a new plan over immediate success. That is a bold but risky strategy. Tortorella will not sit quietly about this. He wants to work right now.
Tortorella will not stay on the bench for long. He made it clear he wants to coach immediately. Several teams might call him soon. His track record speaks for itself. The NHL loves a proven winner. Vegas will watch closely as he lands elsewhere. Fans expect him to lead another team to the playoffs. The Golden Knights will have to prove their choice was right. They must succeed without their Final coach. The league will watch to see who hires him next.
The story of this season is not over. Tortorella still has fire in his belly. He proved he can fix a team fast. The NHL needs his voice. He will find a new home soon. The Golden Knights made their choice. Now the rest of the league waits. Tortorella is ready to work. He will not let this end define his legacy.