Mouz

ট্রাম্পের চিঠি: বোয়িংয়ের আড়ালে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণ

· Prothom Alo

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সাম্প্রতিক চিঠিটি আকারে ছোট হলেও এর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্য বেশ গভীর। চিঠির তাৎক্ষণিক কারণ বাংলাদেশের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত; কিন্তু এর ভাষা ও সময় বিবেচনা করলে এটি কেবল একটি বাণিজ্যিক লেনদেনের জন্য ধন্যবাদজ্ঞাপন নয়; বরং বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সম্ভাব্য নতুন গতিপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ সবুজ সংকেত।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

ডোনাল্ড ট্রাম্প চিঠিতে বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘বোয়িং উইল নট লেট ইউ ডাউন, অ্যান্ড আই উইল নট ফরগেট’ (বোয়িং আপনাকে নিরাশ করবে না, এবং আমিও ভুলব না)। এরপর বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বলেছেন।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হলো, মার্কিন প্রেসিডেন্ট অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ একজন রাষ্ট্রপ্রধানের এমন ব্যক্তিগত বার্তা তাই নিছক প্রটোকল নয়; এর মধ্যে রাজনৈতিক আস্থা এবং ভবিষ্যৎ উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ইঙ্গিত রয়েছে।

বোয়িং যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান। একটি বড় বিমান ক্রয় শুধু উড়োজাহাজ কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি হয়। ফলে এ ধরনের চুক্তি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করার সুযোগ সৃষ্টি করে। তবে এর সম্ভাবনা শুধু বিমান কেনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বোয়িংয়ের সঙ্গে সম্পর্ককে অ্যাভিয়েশন মেইটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও), প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি এবং অ্যারোস্পেস রিলেটেড সাপ্লাই চেইনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সুযোগ হিসেবেও কাজে লাগানো যেতে পারে। অর্থাৎ চুক্তিটির দীর্ঘমেয়াদি মূল্য নির্ভর করবে এটি বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অংশীদারত্বে কতটা রূপ নেয় তার ওপর।

তবে চিঠিটির প্রকৃত তাৎপর্য বোঝার জন্য বাংলাদেশের বর্তমান ভূরাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করা জরুরি।

বাংলাদেশ এমন এক অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রভাব সরাসরি পড়তে পারে। বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগরীয় যোগাযোগ, আঞ্চলিক বাণিজ্য, বন্দর, সমুদ্রপথ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের গুরুত্ব ক্রমে বাড়ছে। ফলে ঢাকা এখন শুধু একটি আঞ্চলিক রাষ্ট্র নয়; বৃহত্তর ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অবকাঠামো, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের; এবং সম্প্রতি তা আরও বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন অবকাঠামো, শিল্প, যোগাযোগ ও বিভিন্ন প্রকল্পে চীনা সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার এবং প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সম্ভাব্য বড় অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র। ফলে বাংলাদেশের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো এই দুই বৃহৎ শক্তির সঙ্গে সম্পর্ককে পরস্পরবিরোধী না করে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালনা করা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর এবং একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার উদ্যোগের পাশাপাশি ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই চিঠি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আনে—বাংলাদেশ সম্ভবত ‘মাল্টি–অ্যালাইনমেন্ট’ বা বহুমুখী কৌশলগত ভারসাম্যের পথে এগোচ্ছে। এর অর্থ কোনো একটি পক্ষকে বেছে নেওয়া নয়; বরং বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে সহযোগিতা করে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

এদিকে চীন–যুক্তরাষ্ট্র প্রতিযোগিতা যত বাড়ছে, বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রগুলোর কৌশলগত গুরুত্বও তত বাড়ছে। ওয়াশিংটন স্বাভাবিকভাবেই চাইবে ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাব যেন একচেটিয়া না হয়। অন্যদিকে বেইজিংও বাংলাদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থানের দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী। এই দুই বাস্তবতার মাঝখানে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিমান নীতি হতে পারে—কারও প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে উভয়ের সঙ্গে স্বার্থভিত্তিক সহযোগিতা করা।

এখানেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠির তাৎপর্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে, তখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বোয়িং কেনার জন্য ব্যক্তিগত ধন্যবাদ, বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রশংসা এবং তারেক রহমানের সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে সাক্ষাতের আগ্রহ—সব মিলিয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার আগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে এটিকে বাংলাদেশকে চীনের বিপরীতে দাঁড় করানোর সরাসরি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা অতিরঞ্জিত হবে; বরং এটি দেখায় যে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে দুই বৃহৎ শক্তির আগ্রহ বাড়ছে।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসাও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের নতুন সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রকাশ্য ইতিবাচক মন্তব্য সরকারের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি শক্তিশালী করতে পারে। তবে এটিকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক সমর্থন হিসেবে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না; বরং এটি নতুন সরকারের সঙ্গে ওয়াশিংটনের ইতিবাচক সম্পর্ক তৈরির একটি রাজনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখা অধিক যুক্তিযুক্ত।

চিঠির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হলো সম্ভাব্য সাক্ষাতের কথা। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তারেক রহমানের সরাসরি বৈঠক হলে সেটি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। সেখানে শুধু বোয়িং নয়; বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। বাংলাদেশের উচিত হবে এমন বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সুস্পষ্ট অর্থনৈতিক ও কৌশলগত এজেন্ডা সামনে রাখা।

বিশেষ করে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও বাজারকে বাংলাদেশের শিল্পায়ন, দক্ষ জনশক্তি এবং উচ্চমূল্যের রপ্তানি খাত সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে সম্পর্কটি শুধু পণ্য আমদানি-রপ্তানির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ নিতে পারে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সামনে বড় সুযোগ রয়েছে। আধুনিকায়নের জন্য বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম বিবেচনা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইউরোপসহ সব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে প্রতিযোগিতামূলকভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ করলে বাংলাদেশের দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে এবং কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি কমবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ-নিরাপত্তাকেও সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করতে হবে।

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতাকে নিজের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা। চীন থেকে অবকাঠামো ও শিল্প সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও বাজারসুবিধা এবং ইউরোপ, জাপান ও অন্যান্য অংশীদারের কাছ থেকে উন্নত প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ— এই সবকিছুকে একটি সমন্বিত জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের আওতায় আনা সম্ভব।

তবে এই নীতি বাস্তবায়নের জন্য সূক্ষ্ম কূটনৈতিক ভারসাম্য প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা চীনের উদ্বেগ বাড়াতে পারে, আবার চীনের সঙ্গে অতিরিক্ত সামরিক বা কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা যুক্তরাষ্ট্রের সন্দেহ সৃষ্টি করতে পারে। তাই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত কোনো শক্তির পক্ষে অবস্থান নয়; বরং কৌশলগত স্বাধীনতা এবং জাতীয় স্বার্থ।

এই নীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ব্যক্তিগত সম্পর্কের পরিবর্তে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়ে তোলা। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ইতিবাচক হলেও সেটি যেন দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের একমাত্র ভিত্তি না হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন পরিবর্তিত হতে পারে, তাই কংগ্রেস, স্টেট ডিপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত মহলসহ বিভিন্ন স্তরে বাংলাদেশের সম্পর্ক গভীর করা প্রয়োজন।

একইভাবে চীনের সঙ্গেও সম্পর্ককে শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্বের পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে অর্থনীতি, শিল্প, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও অবকাঠামোর দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতায় পরিণত করা প্রয়োজন। এতে সরকার পরিবর্তন বা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি স্থিতিশীল থাকবে।

সব মিলিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক পরিবর্তনের ঘোষণা বলা যাবে না। বোয়িং কেনাও একা যুক্তরাষ্ট্রের দিকে বাংলাদেশের কৌশলগত ঝুঁকে পড়ার প্রমাণ নয়; বরং এটি এমন একটি সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক গতিপথের সংকেত, যখন বাংলাদেশ একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে তার দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে।

চিঠির মূল তাৎপর্য তাই বোয়িংয়ের বাইরে। এটি দেখাচ্ছে যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং আঞ্চলিক গুরুত্ব যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের কাছে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও ওয়াশিংটনের কাছে ঢাকার কৌশলগত মূল্য বাড়াচ্ছে।

সফল কূটনীতি হবে সেটিই, যেখানে বাংলাদেশ কারও প্রতিপক্ষ না হয়ে সবার সঙ্গে কাজ করবে, কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা যেমন চীনের বিরুদ্ধে হওয়া উচিত নয়, তেমনি চীনের সঙ্গে সহযোগিতাও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী হওয়ার প্রয়োজন নেই।

বাংলাদেশের প্রতিটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চূড়ান্ত মানদণ্ড হওয়া উচিত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থ।
বর্তমানে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে তার ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান—কোনো একক শক্তির অনুসারী নয়; বরং নিজের জাতীয় স্বার্থে বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে সহযোগিতায় সক্ষম একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি তাই শেষ কথা নয়; বরং একটি সম্ভাব্য নতুন অধ্যায়ের সূচনা। বোয়িং দিয়ে যে কথোপকথন শুরু হয়েছে, সেটি যদি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতায় বিস্তৃত করা যায়, তাহলে এই ছোট চিঠিটিই ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

* লেখক :  প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম

Read full story at source

I try to visit new destinations, but I like my old favourites better

· Brisbane Times

The Apple Vision Pro was used for a successful hip surgery

· Engadget

Stryker says its SportSuite Vision software for the headset received De Novo authorization from the FDA in July.

Visit playerbros.org for more information.

Read full story at source