Mouz

‘Don’t burn your bridges’: Shoebridge warns Ukrainian community over military aid

· Brisbane Times

Diesel squeeze set to last well into 2027 as Iran war disrupts supply, IEA says

· CNBC

সিজেপির দুই নেতাকে ৫ দিনের জেল হেফাজত, প্রতিক্রিয়ায় মোদিকে আবারও ‘কাপুরুষ’ বললেন দিপকে

· Prothom Alo

লোহার ফটক টপকে যন্তর মন্তরে ঢোকার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার সকালে মন্দির মার্গ থানায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হলে দিল্লি পুলিশের যুক্তি মেনে তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। সিজেপির অন্য নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে শর্ত হলো, তিনি শান্তি ভঙ্গ করতে পারবেন না।

গত মঙ্গলবার সকালে আশুতোষ, সৌরভ ও অজিঙ্ক পুলিশের চোখ এড়িয়ে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন। ওই চত্বরে ঢোকার জন্য যে কয়েকটি সড়ক রয়েছে, প্রতিটিতেই ব্যারিকেড দেওয়া। সঙ্গে পুলিশি প্রহরা। একটি এলাকায় রয়েছে লোহার ফটক। সিজেপি নেতারা সেই ফটক পেরিয়ে ঢুকে পড়েন। সঙ্গে ১০–১২ জন সমর্থক।

Visit sport-tr.bet for more information.

যন্তর মন্তরে ঢুকে সিজেপি নেতারা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিজেপি) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর বাতিলের দাবি জানানোর পাশাপাশি ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘বন্দে মাতরম’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ ও কেন্দ্রীয় সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন।

হতচকিত অবস্থা কাটিয়ে পুলিশ সিজেপি নেতাদের আটক করে। দিনভর আটক রাখার পর গভীর রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সিজেপির অভিযোগ, ওই দীর্ঘ সময় সিজেপি নেতাদের সঙ্গে আইনজীবীদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজ বুধবার সকালে সবাইকে হাজির করা হয় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে।

সিজেপির আইনজীবী অভীষ্ট হেলা গণমাধ্যমকে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে দিল্লি পুলিশ বলেছে, সিজেপি নেতারা ফোন করে যন্তর মন্তরে লোক জড়ো করেছেন। তারপর বেআইনিভাবে ঢুকে পড়েছেন। যে জায়গায় ঢুকেছেন সেটা বিক্ষোভ দেখানোর স্থান নয়। ফলে তাঁরা আইন ভেঙেছেন। তাঁদের মুক্তি দিলে তাঁরা ফের এমন অশান্তির কারণ হবেন।

পুলিশ বলেছে, এই নেতাদের আগেও আটক করা হয়েছিল। তাঁরা ছাড়া পেয়েছিলেন শান্তি ভঙ্গ করবেন না—এই মুচলেকা দেওয়ার পর। যন্তর মন্তরে ঢুকে তাঁরা সেই শর্ত ভঙ্গ করেছেন।

আশুতোষ ও সৌরভদের জেল হেফাজতের খবর পেয়ে সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে এক বার্তায় বলেন, ‘ওদের কী অপরাধ? ওরা তো যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা উড়িয়েছে? প্রধানমন্ত্রীজি, একটু সাহস দেখান। এভাবে ভিন্নমত দমানোর বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলে বরং খোলামেলা জরুরি অবস্থা জারি করে দিন। কাপুরুষের মতো কৌশলের আড়ালে লুকানোর দরকার নেই।’

সিজেপি নেতাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর খবর পেয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও সরব হন। আজ বুধবার বেলা ১১টায় ‘এক্স’ হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোটা কোনো অপরাধ নয়। সে জন্য তরুণদের জেলে পাঠানোটা কাপুরুষতার লক্ষণ।’

রাহুল ওই বার্তায় লেখেন, ‘ছাত্র, যুবা, সাংবাদিক, ইন্ডিয়া জোট—ব্যানার ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য এক। সবার বিক্ষোভই এক। নাগরিকেরা তাদের সাংবিধানিক অধিকার চাইছে। যন্তর মন্তর এ দেশের জনগণের। আমরা ফের তা উদ্ধার করব।’

ইন্ডিয়া জোট ও সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। দুই দলের আন্দোলনের উদ্দেশ্য এক হলেও কেন তারা আলাদা আলাদা কর্মসূচি নিচ্ছে, কেন একজোট হয়ে আন্দোলন করছে না, তাদের মধ্যে রেষারেষি রয়েছে কি না, এমন ধরনের জল্পনা চলছে। গতকাল মঙ্গলবার রাহুল গান্ধী তাঁর বাসভবনে আয়োজিত চা–চক্রের আমন্ত্রণপত্র ও পরে গণমাধ্যমের সামনে এই জল্পনার অবসান ঘটান। বুধবার সকালের ‘এক্স’ বার্তাতেও তিনি জানিয়ে দেন, ব্যানার ভিন্ন হলেও তাঁদের উদ্দেশ্য অভিন্ন।

আজ অভিজিৎ দিপকেও এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। নাগপুরে দুপক্ষের বিরোধসংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সিজেপি এক স্বাধীন প্রেশার গ্রুপ। সিজেপি সব সময় এমনই থাকবে। কিন্তু এর অর্থ এই নয়, আমরা ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী।’

অভিজিৎ বলেন, ‘আমাদের সবার লক্ষ্য এক। উদ্দেশ্য এক। আমরা জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, যিনি নির্বাচন চুরি করে নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমতায় থাকতে সাহায্য করছেন। সিজেপি এক স্বাধীন প্রেশার গ্রুপ। তারা সব সময় এমনই থাকবে। কিন্তু এর অর্থ এই নয়, আমরা ইন্ডিয়া জোটের বিরুদ্ধে। আমাদের ও ওদের লক্ষ্য অভিন্ন। দুজনের আন্দোলনের উদ্দেশ্য এক।’

অভিজিৎকে প্রশ্ন করা হয়, ভবিষ্যতে সিজেপি রাজনৈতিক দল হিসেবে মাথা তুলবে কি না। জবাবে অভিজিৎ বলেন, তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই।

Read full story at source