Mouz

Britain ‘to stop short of full social media ban for under-16s’ and outlaw addictive features instead

· The Independent

INS Kolkata Foils Suspected Piracy Attempt In Western Indian Ocean Near Merchant Vessel MV Mashallah 1

· Free Press Journal

New Delhi: Indian Naval Ship (INS) Kolkata on Wednesday foiled a suspected piracy attempt in the vicinity of merchant vessel MV Mashallah 1 in the Western Indian Ocean.

Responding swiftly to inputs of pirate activity near merchant vessel MV Mashallah 1, INS Kolkata, mission deployed in the Western Indian Ocean (around the Gulf of Aden), undertook prompt action to investigate and deter the threat.

Visit freshyourfeel.org for more information.

The investigation was conducted using the helicopter onboard INS Kolkata, as well as the boarding operations by the ship's crew. The timely intervention ensured the safety of the merchant vessel and prevented a possible piracy attack.

Following the incident, the Indian Navy reaffirmed its committment to safeguarding merchant shipping, countering piracy and ensuring safe and secure seas.

Since 2008, the Indian Navy has maintained a continuous anti-piracy deployment in the Gulf of Aden.

INS Kolkata was commissioned into the Indian Navy in August 2014 by Prime Minister Narendra Modi.

INS Kolkata, a Guided Missile Destroyer with an array of Gunnery and Anti-Submarine Warfare (ASW) Weapons, is the largest warship built indigenously. The ship is fitted with medium-range and short-range guns, anti-air and Surface missiles, air and surface surveillance radar, as well as bow-mounted sonar. Modern navigation and communication systems have also been installed on board the ship.

The ship can be truly classified as a 'Network of Networks' as it is equipped with sophisticated digital networks, such as ATM based Integrated Ship Data Network (AISDN), Auxiliary Control System (ACS), Automatic Power Management System (APMS) and Combat Management System (CMS).

AAIB Calls For A Civil-Defence Safety Pact Following A Near-Miss Collision Between Air India Flight & Indian Navy Helicopter

The AISDN is the information highway on which data from all the sensors and weapons ride. Whilst remote control and monitoring of machinery is achieved through ACS, the intricate power supply management is done using APMS. The CMS is used to integrate information from its own data sources and collate information from other platforms using an indigenous data-link system to provide maritime domain awareness.

The unique feature of this ship is the high level of indigenisation achieved with most of the systems onboard sourced from within the country, which has generated a sound vendor base for future ships.

MDL delivers fourth ship of Project-17A to the Indian Navy

Some of the major indigenised equipment/ systems onboard INS Kolkata include Combat Management System (CMS), Auxiliary Control System (ACS), Automatic Power Management System (APMS), Foldable Hangar Doors, Helo Traversing System and bow-mounted HUMSA NG system. The ship is equipped to operate two Seaking or Chetak helicopters.

Crew comfort is a significant feature of INS Kolkata and has been ensured through ergonomically designed accommodation and galley compartments on a modular concept. 

(Except for the headline, this article has not been edited by FPJ's editorial team and is auto-generated from an agency feed.)

Read full story at source

নদী যেন লাশ গুমের নিরাপদ ঠিকানা, ৫ বছরে ২০৬৪ উদ্ধার

· Prothom Alo

বুড়িগঙ্গা নদী থেকে গত বছরের ২৩ আগস্ট এক নারী ও এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। পচন ধরে আঙুলের ছাপ মুছে যাওয়ায় মরদেহ দুটি শনাক্ত করা যায়নি। পরে বেওয়ারিশ হিসেবে তাদের দাফন করা হয়। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওই নারী ও শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছিল।

Visit somethingsdifferent.biz for more information.

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীর থেকে মাথাবিহীন এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। পচন ধরে যাওয়ায় ওই মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি। খোঁজাখুঁজির পর স্বজনেরা মর্গে গিয়ে শরীরে আঁকা ট্যাটু (উল্কা) ও পরনের গেঞ্জি দেখে লাশটি শনাক্ত করেন। তিনি হলেন গাজীপুরের কালীগঞ্জের জাকির হোসেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

শুধু বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নয়, গত পাঁচ বছরে (২০২১-২০২৫) নৌ পুলিশ দেশের বিভিন্ন নদ-নদী থেকে ২ হাজার ৬৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া লাশগুলোর মধ্যে খুনের ঘটনা বেশি। পাশাপাশি বিভিন্নভাবে নদীতে পড়ে দুর্ঘটনাবশত মৃত্যু এবং নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যার ঘটনাও রয়েছে।

নৌ পুলিশ কর্মকর্তা ও অপরাধতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উদ্ধার হওয়া লাশের অধিকাংশই হত্যাকাণ্ড। অপরাধের প্রমাণ মুছে ফেলতে ও গ্রেপ্তার হওয়া থেকে নিজেদের আড়াল করতে গুমের জন্য লাশ নদীতে ফেলছে খুনিরা। পানির স্রোতে লাশ ভেসে চলে যাওয়ার কারণে নদীকে লাশ গুমের ‘নিরাপদ স্থান’ মনে করে অপরাধীরা।

৫ বছরে ২০৬৪ লাশ উদ্ধার

নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে নৌ পুলিশ দেশের বিভিন্ন নদ-নদী থেকে ২ হাজার ৬৪টি মরদেহ (পুরুষ, নারী ও শিশু) উদ্ধার করে। এদের মধ্যে পুরুষ বেশি। এসব ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় ৩৩৫টি হত্যা ও নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পড়ে আত্মহত্যার ঘটনায় ২৫টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া মাছ ধরতে, ঘুরতে এবং গোসল করতে গিয়ে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নৌ দুর্ঘটনায় বাকিরা মারা গেছেন। এসব ঘটনায় বিভিন্ন থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন থানায় করা হত্যা মামলায় মোট ৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারও সম্পৃক্ততা না পেয়ে ১২১ হত্যা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন থানায় হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে ইতিমধ্যে ৫৬টি মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে নৌ পুলিশ। তারা আরও ১৩২ হত্যা মামলা তদন্ত করছে। এ ছাড়া ২৬টি হত্যা মামলা অন্য সংস্থাগুলো তদন্ত করছে।

নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে উদ্ধার লাশের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হলেও বাকি ৬৩৯ জনের মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি। পরে শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। উদ্ধার হওয়া সব লাশের মরদেহের ছবি তুলে থানায় রাখা হয়। মরদেহ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের পর যদি কেউ থানায় এসে লাশ শনাক্ত করে, তদন্ত সাপেক্ষে পরে সে অনুযায়ী নৌ পুলিশ থানায় মামলা করে এবং তদন্ত এগিয়ে নেয়।

মরদেহ উদ্ধার বেড়েছে

নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ৩১৮ মরদেহ, পরের বছরে ৩৬০, ২০২৩ সালে ৪০৫, ২০২৪ সালে ৪৪০ এবং ২০২৫ সালে ৫৪১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নৌ পুলিশ অধিদপ্তর সারা দেশের নদীপথকে ১১টি অঞ্চলে (রিজিয়ন) ভাগ করেছে। অঞ্চলগুলো হলো ঢাকা অঞ্চল, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, বরিশাল, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, খুলনা ও সিলেট অঞ্চল।

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নদীতে লাশ বেশি

নৌ পুলিশ গত তিন বছরে (২০২৩-২০২৫ সাল) নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের নদী থেকে সবচেয়ে বেশি ৩২০ মরদেহ, এরপর নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের নদী থেকে ১৯৩ এবং সবচেয়ে কম সিলেট অঞ্চলের নদী থেকে ১৪ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বরিশাল অঞ্চলের নদী থেকে ১৪৮, চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদী থেকে ১৪৫, রাজশাহী অঞ্চলের নদী থেকে ১২২, চাঁদপুর অঞ্চলের ১০৫, খুলনা অঞ্চলের ১০৪, ফরিদপুর অঞ্চলের ৯৯, কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের ৭২ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের নদী থেকে ৬৪ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, অনেক ঘটনায় নদীতে মরদেহ ভেসে ওঠার আগেই তাতে পচন ধরে আঙুলের ছাপ মুছে যায় এবং চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় অনেক লাশ শনাক্ত করা যায় না। অনেক সময় নদী থেকে মানুষের কঙ্কালও উদ্ধার করা হয়। মরদেহ শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ড প্রমাণ হলেও হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা যায় না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে লাশ শনাক্ত হলেও লাশ পচন ধরে যাওয়ায় মৃত্যুর কারণ জানা যায় না। এ কারণে নদী থেকে উদ্ধার মরদেহ শনাক্ত করতে প্রায়ই পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।

যেভাবে লাশ উদ্ধার হয়

সর্বশেষ ১৬ মে সকালে মোহাম্মদপুর-সংলগ্ন বছিলা সেতুর নিচের বুড়িগঙ্গা নদী থেকে এক যুবকের (২৫) গলাকাটা ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। লাশটিতে পচন ধরেছে। তাঁর পরিচয় পাওয়া যায়নি। ওই যুবকের পরনে ছিল কালো রঙের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ও নীল রঙের ফুলহাতা গেঞ্জি। এ ছাড়া তাঁর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

বছিলা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউল হক জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবকের গলা কাটা হয়েছে। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পচন ধরে যাওয়ায় মরদেহটি শনাক্ত করা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত যুবকটিকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে মরদেহ গুম করার জন্য নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।

গত বছরের ২৩ আগস্ট বুড়িগঙ্গায় এক নারী ও এক শিশুর লাশ ভেসে ওঠে। পরে নৌ পুলিশের সদরঘাট থানা মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। উদ্ধার হওয়া নারী ও শিশুর লাশে পচন ধরে আঙুলের ছাপ মুছে যাওয়ায় নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। এর আগে তাদের মরদেহ নিতেও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে কেউ যাননি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নারী ও শিশুর মৃত্যুর কারণ হত্যাকাণ্ড উঠে আসায় নৌ পুলিশ বাদী হয়ে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করে।

নৌ পুলিশের সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহাগ রানা প্রথম আলোকে বলেন, উদ্ধার হওয়া নারী ও শিশুর হত্যাকাণ্ডের কোনো সূত্র ছিল না। তাই হত্যাকারীও শনাক্ত হয়নি। শনাক্ত হলে স্বজনদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য দিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন সহজ হতো। লাশের পরিচয় না পাওয়ায় হত্যা মামলার তদন্তেও অগ্রগতি নেই। পুলিশ দুজনের ডিএনএ সংরক্ষণ করেছে। কেউ মরদেহ শনাক্ত করতে এলে মিলিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ ডায়েরির সঙ্গে ওই নারী ও শিশুর তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের কালীগঞ্জের কয়লাঘাট সংলগ্ন অক্টোবরে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে কচুরিপানার ভেতর থেকে মাথাবিহীন এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে পচন ধরে যাওয়ায় আঙুলের ছাপ নিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করা যায়নি। নিখোঁজ থাকার দুই দিন পর পরিবার গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যায়। পরে পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে গিয়ে গায়ে আঁকা ট্যাটু ও পরনের গেঞ্জি দেখে জাকির হোসেনের লাশ শনাক্ত করা হয়। পরে জাকিরের মেয়ের সঙ্গে ডিএনএ মিলে গেলে জাকিরের পরিচয় নিশ্চিত হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেও বেরিয়ে আসে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড। স্বজনদের পক্ষ থেকে ওই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করা হয়। জাকিরের বাড়ি গাজীপুরের কালীগঞ্জের সাতালিপাড়ায়।

মামলার চতুর্থ তদন্তকারী কর্মকর্তা নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আগের তিন তদন্তকারী জাকির হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে পারেননি। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি নিহত জাকিরের মুঠোফোনের সিডিআর (কল ডিটেইল রেকর্ড) নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। সর্বশেষ ব্যক্তির সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার সূত্রে কবির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। জাকিরের বন্ধু হলেন কবির। একই দিন আরও দুই ব্যক্তির সঙ্গে জাকিরের কথা হয়। সেই সূত্রে হুমায়ুন ও রতন নামের আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারাও জাকিরের বন্ধু। রতন জাকিরকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁরা তিনজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাঁদের অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, নারীঘটিত বিষয় নিয়ে জাকিরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন হুমায়ুন, রতন ও কবির হোসেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী লাশ উদ্ধারের দুই দিন আগে রাতের আঁধারে রতন কালীগঞ্জের একটি মাঠে ডেকে নিয়ে জাকিরকে পিটিয়ে হত্যা করে। এরপর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করে মাথাবিহীন মরদেহটি শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়। জাকিরের খণ্ডিত মাথা আর উদ্ধার করা যায়নি।

ময়নাতদন্তকারী বিশেষজ্ঞদের সমিতি দ্য মেডিকোলিগ্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অধিকাংশ লাশ ফুলে ওঠে এবং পচন ধরে যায়। এতে আলামতও নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া নদীতে লাশ মাছ ও পোকামাকড়ও খায়। এতে অনেক আলামত নষ্ট হয়ে যায়।

নৌ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, নদী থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ব্যক্তিগত, পারিবারিক (দাম্পত্য কলহ ও পরকীয়া), মাদক কারবার ও সম্পত্তি–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নৌ পুলিশ ৬৫ শতাংশ হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনে সফল হয়েছে।

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের নদী থেকে বেশি লাশ উদ্ধার হওয়া প্রসঙ্গে নৌ পুলিশের প্রধান বলেন, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি। এই নৌপথে মানুষের যাতায়াতও বেশি। তাই অপরাধপ্রবণতা বেশি।

নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত বড় চ্যালেঞ্জ

সার্বিক বিষয়ে নৌ পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, দেশে বর্ষা মৌসুমে ছয় থেকে আট হাজার কিলোমিটার নৌপথ থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে তা কমে দাঁড়ায় তিন থেকে চার হাজার কিলোমিটারে। এর মধ্যে নিয়মিত নৌযান চলাচল করে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার নৌপথে। এই বিশাল নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নৌ পুলিশের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের (অপরাধবিজ্ঞান) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সোহাগ প্রথম আলোকে বলেন, ভাড়াটে খুনি দিয়ে নিখুঁত পরিকল্পনায় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে রাতের আঁধারে লাশ গোপন করতে নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। নদীসংলগ্ন এলাকায় লোকজনের চলাচল কম থাকার সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে খুনিরা। তিনি বলেন, যেসব স্থান দিয়ে নদীতে লাশ ফেলা হচ্ছে, তা ঠেকাতে সেসব স্থান চিহ্নিত করে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

Read full story at source