Mouz

Indian-origin lawmakers in US Midterms: Who's winning, who's trailing?

· India Today

প্রথম আলোর জন্মদিনে হাবলুকে দাদুর ধাঁধা

· Prothom Alo

গণিত ইশকুল

সহযোগিতায়:

Visit extonnews.click for more information.

বাংলাদেশ গণিত

অলিম্পিয়াড কমিটি

৪ নভেম্বর সকাল সাড়ে ছয়টা। গলিতে তখনো হালকা কুয়াশা। হকার চাচার সাইকেলের বেল বাজল, তারপর দরজার নিচ দিয়ে ঢুকল আজকের প্রথম আলো। আজ পত্রিকাটির জন্মদিন।

১৯৯৮ সালের এই দিনেই বেরিয়েছিল প্রথম আলোর প্রথম সংখ্যা।

হাবলুর দাদু সেই প্রথম দিনের পাঠক। দাদুর ঘরের দেয়ালে কাচের ফ্রেমে বাঁধানো আছে সেই প্রথম সংখ্যা। কাগজ হলদেটে হয়ে গেছে, তবু সম্পাদকের নাম মতিউর রহমান এখনো স্পষ্ট পড়া যায়।

দাদু তো যেন হলদেটে পুরোনো পত্রিকা, ভাঁজে ভাঁজে গল্প।

দাদুর এখনো মনে আছে সেই সকালটা। মোড়ের দোকানে নতুন একটা কাগজ দেখে কিনেছিলেন। ভেবেছিলেন, এক দিন পড়ে দেখি। সেই এক দিন গড়াতে গড়াতে ২৮ বছর। এই ২৮ বছরে কত খবর পড়েছেন দাদু! বন্যার খবর, ক্রিকেটে জয়ের খবর, নতুন সেতুর খবর, আর কত চেনা মানুষের মুখ। দাদু প্রায়ই গর্ব করে বলেন, ‘২৮ বছর হয়ে গেল রে! সম্পাদক সেই একই মানুষ, মতিউর রহমান। আর পাঠকও সেই একই মানুষ, এই আমি।’

২৮ বছরে দাদুর একটা সকালও পত্রিকা ছাড়া শুরু হয়নি: এক কাপ চা আর প্রথম আলো। আগে শিরোনাম, তারপর খেলার পাতা, সবশেষে শব্দজট। শুধু ইদানীং দাদুর চোখ ঝাপসা হয়ে এসেছে; মোটা চশমায়ও ছোট অক্ষর আর ধরা দেয় না। তাই প্রতিদিন ভোরে হাবলু বারান্দায় দাদুর পাশে বসে খবরগুলো জোরে জোরে পড়ে শোনায়। কঠিন শব্দে আটকে গেলে দাদু মুচকি হেসে ধরিয়ে দেন, আর মজার খবরে দুজনেই হো হো করে হাসে।

আজ পড়া শেষ হতেই দাদু চায়ের কাপটা নামিয়ে রাখলেন। তারপর মিটিমিটি হেসে বালিশের নিচ থেকে একটা খাম বের করে হাবলুর হাতে দিলেন। খামের ওপর দাদুর কাঁপা কাঁপা হাতে বড় বড় করে লেখা: ‘হাবলুর জন্য’। ‘জন্মদিন তো পত্রিকার, কিন্তু উপহারটা তোর জন্য। এর ভেতরে একটা গুপ্তধন আছে। একটা কথা, যেটা তোকে অনেক দিন ধরে বলব বলব করেও বলা হয়নি।’ হাবলুর বুকটা ধুকপুক করে উঠল। দাদু কী এমন কথা বলতে চান, যেটা মুখে বলা যায় না?

খামের ভেতরে আটটা ছোট কার্ড। প্রতিটায় পুরোনো প্রথম আলোর শিরোনাম থেকে কাঁচি দিয়ে কেটে নেওয়া একটা শব্দ; সঙ্গে গণিত ভাইয়ার হাতে লেখা একটা চিরকুট:

হাবলু মেঝেতে কার্ডগুলো বিছিয়ে বসে পড়ল। দাদু চায়ে চুমুক দিয়ে চুপচাপ অপেক্ষা করতে লাগলেন।

তোমরা কি হাবলুকে সাহায্য করতে পারবে? দাদুর না–বলা কথাটা কী?

∎ ধাপ–১: কার্ডগুলো তারে ফেরাও

তারে আটটা ক্লিপ, বাঁ থেকে ডানে ১ থেকে ৮। প্রতিটা ক্লিপে ঠিক একটা কার্ড ঝুলছিল। বাঁ আর ডান, মানে তারের দিকে মুখ করে দাঁড়ালে যেমন দেখো; ‘ঠিক পাশে’ মানে, মাঝখানে আর কোনো কার্ড নেই। কার্ড আটটা: আলো, কাগজ, তোমার, আমিই, প্রথম, আমার, পুরোনো, তুমিই।

কোন কার্ড কোথায় ছিল, গণিত ভাইয়া সরাসরি লেখেনি। লিখেছে শুধু এটুকু:

১. ‘আমিই’ আর ‘কাগজ’ ঝুলছিল তারের দুই মাথায়: একটা একেবারে বাঁয়ে, অন্যটা একেবারে ডানে। কোনটা কোন মাথায়, বলিনি!

২. ‘প্রথম’-এর ঠিক ডান পাশেই ‘আলো’, পত্রিকার নামের মতো।

৩. ‘তুমিই’ ঝুলছিল ‘আমিই’-এর ঠিক পাশে।

৪. ‘তুমিই’ আর ‘তোমার’-এর মাঝখানে ঠিক একটা কার্ড।

৫. ‘পুরোনো’ ঝুলছিল ‘প্রথম’-এর ঠিক পাশে।

৬. ‘তোমার’ ছিল ‘পুরোনো’র বাঁ দিকে, ঠিক পাশে হতেও পারে, না–ও পারে।

∎ ধাপ–২: কোন কার্ড সত্যি?

প্রতিটা কার্ডের পেছনে গণিত ভাইয়ার লেখা একটা কথা। কথাটা সত্যি হলে কার্ডটা সত্যি কার্ড, মিথ্যা হলে মিথ্যা কার্ড। ‘পাশের কার্ড’ মানে ধাপ ১–এ সাজানো তারে পাশের কার্ড। মনে রেখো, কোনো কথা নিজের কার্ডকেও গুনতে পারে। সত্যি–মিথ্যা মেলানোর উপায়ও একটাই।

∎ ধাপ–৩: শুধু সত্যি কার্ডগুলো তারে যে ক্রমে আছে, বাঁ থেকে ডানে সেভাবে পড়ো। সেটাই দাদুর না–বলা কথা। পড়ার পর ভেবে দেখো, কথাটা দাদু কাকে বলছেন, আর কেন।

∎ তোমার উত্তর এবং কীভাবে সমাধান করলে, তা বিস্তারিত লিখে আমাদের ফেসবুক পেজের ইনবক্সে অথবা ই–মেইলে ([email protected]) পাঠিয়ে দাও।

Read full story at source

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পেল ডেমোক্র্যাটরা

· Prothom Alo

দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে...

Visit michezonews.co.za for more information.

Read full story at source