Mouz

Leaking Secrets from Air-Gap Computers by Spelling Radio Signals from RAM

· Hacker News

Man compares a fully upgraded MacBook Pro to a Creta, and the price is wild

· India Today

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ আটক-গ্রেপ্তার ৪৯ জন

· Prothom Alo

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনের আড়ালে পরিকল্পিত নাশকতার অভিযোগ তুলেছে পুলিশ। রাজধানীর মিরপুর ও গাজীপুরে পুলিশের গাড়ি ও বক্সে আগুন এবং হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে পুলিশ।

এসব ঘটনায় গতকাল রোববার ঢাকা ও গাজীপুরে ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার ও আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১১ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বাকি ৮ জনকে থানা-পুলিশ আটক করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার। আর গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি ও সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৯ জন নেতা-কর্মীসহ ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Visit cat-cross.com for more information.

ডিবি পুলিশ বলছে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে মিরপুরে সহিংসতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছিলেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। তাঁদের একটি অংশ অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছিল। আন্দোলনের আড়ালে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনাও ছিল তাঁদের।

অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের গাড়িতে আগুন জ্বলছে। ১ নভেম্বর

ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান প্রথম আলোকে বলেন, আটক ব্যক্তিরা মিরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার অনুসারী। তাঁদের কয়েকজনের দলীয় পদ-পদবি রয়েছে। ইলিয়াস মোল্লার ভাগনে আলিফ মোল্লা শতাধিক ব্যক্তিকে সংগঠিত করে শ্রমিকদের আন্দোলনে পাঠিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, এই ব্যক্তিরাই সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছেন ও ভাঙচুর চালিয়েছেন।

এদিকে সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিরপুরে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। তাঁরা মূলত স্থানীয় পোশাক কারখানার শ্রমিক নন। বিভিন্ন জেলা থেকে এসে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার উদ্দেশ্যে মিরপুরে জড়ো হয়েছিলেন। সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে জনমনে আতঙ্ক ও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

শ্রমিকেরা কাজে না ফিরলে পোশাক কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত মালিকদের

গাজীপুরে ৩০ জন গ্রেপ্তার

গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে উসকানি দেওয়া এবং ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৯ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কালিয়াকৈর উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ সিকদার, মৌচাক ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কালিয়াকৈর উপজেলার সাবেক সহসভাপতি আরিফুল হোসেন, ৯ নম্বর নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম মিয়া, যুবলীগের সক্রিয় সদস্য মোহাম্মদ মেহেদী হাসান মিজান, আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ রাসেল, সৈকত শেখ ও মিজানুর রহমান।

পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুঁড়ছেন বিক্ষোভে আসা শ্রমিকেরা

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে নয়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর বাইরে শিল্প পুলিশ ৯ জন এবং গাজীপুর মহানগর পুলিশ ১৩ জনকে আটক করেছে বলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষ, গাড়িতে আগুন

তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন দেখছে শিল্প পুলিশ

এদিকে বাসসের আরেক খবরে বলা হয়, পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিল্প পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক গাজী জসিম উদ্দিন। তিনি গতকাল বাসসকে বলেন, শ্রমিকদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে সরকার ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এর আগে আন্দোলনরত শ্রমিকদের শান্ত করার চেষ্টা করেছে পুলিশ। মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগের কথাও তাঁদের জানানো হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন এলাকায় সহিংস বিক্ষোভ অব্যাহত থাকায় এর পেছনে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শিল্প পুলিশের প্রধান আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমিক ও শিল্পকারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করেছে। সহিংস পরিস্থিতি মোকাবিলায় ন্যূনতম শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে।

Read full story at source