Mouz

লড়াইয়ের নাম কেপ ভার্দে, হিরোর নাম ভোজিনহা: যে ৭ কারণে এই গোলরক্ষককে ফুটবল বিশ্ব কোনোদিন ভুলতে পারবে না

· Prothom Alo

আর্জেন্টিনা ম্যাচ জিতেছে। তবে হৃদয় জিতেছে কেপ ভার্দে। আজকের ম্যাচে লড়াইয়ের নাম ছিল কেপ ভার্দে। আর হিরোর নাম ভোজিনহা। আসল নাম জোসিমার জোসে ইভোরা ডিয়াস। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে এসে সবাইকে নাকানিচুবানি খাওয়ানো দলটির দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে ওঠা এই গোলরক্ষক ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে হয়ে থাকবেন। ফুটবল বিশ্বে তাঁকে এই ৭ কারণে কোনোদিন ভুলতে পারবে না।

Visit freshyourfeel.org for more information.

১. ৪০ বছর বয়সে বিশ্বকাপ অভিষেক

যে বয়সে বেশিরভাগ ফুটবলার অবসর নেন, সেই বয়সেই তিনি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলেন এবং রাতারাতি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে আসেন। ২৫ বছর বয়সের আগে ঠিকঠাক ফুটবল খেলা হয়েই ওঠেনি তাঁর।

২. ভোজিনহা নামের আবেগঘন গল্প

জার্সিতে থাকা ‘Vozinha’ নামটি তিনি বেছে নিয়েছেন সেই দাদা-দাদির সম্মানে, যাঁরা তাঁকে বড় করেছেন। তাঁর মা কাজ করতেন এবং বাবা ছিলেন সেনাবাহিনীতে। ভোজিনহা কথাটির আক্ষরিক অর্থ লিটল গ্র্যান্ডমা।

৩. সংগ্রামী জীবন থেকে সাফল্য

২৫ বছর বয়স পর্যন্ত পেশাদার ফুটবলার হতে না পেরে পরিবারের খরচ চালাতে তিনি ইলেকট্রিশিয়ান ও বাসচালক হিসেবে কাজ করেছেন। সত্যিকারের ব্লু কলার ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে এসেছেন এই অসাধারণ ফুটবলার

৪. সব বাধা পেরিয়ে উঠে আসা

ছোটবেলায় উচ্চতা কম হওয়ায় অনেক কোচ তাঁকে দলে নেননি। পরে হঠাৎ উচ্চতা বেড়ে ৬ ফুট ২ ইঞ্চি হওয়ার পর তাঁর ভাগ্য বদলে যায়।

৫. হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া সাক্ষাৎকার

স্পেন ম্যাচের পর আবেগে ভেঙে পড়ে তিনি জানান, তাঁর মায়ের বিশ্বকাপ দেখতে আসার সামর্থ্য ছিল না, কারণ ভ্রমণের ভিসার খরচ বহন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে এই বিষয়টি উঠে আসে আলোচনার তুঙ্গে আর ভোজিনহার মা আসেন ছেলের বিশ্বকাপ জার্নি দেখতে।

৬. রাতারাতি ভাইরাল তারকা

স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর মাত্র ৯০ মিনিটের মধ্যে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার থেকে ৬০ লাখেরও বেশি হয়ে যায়। তিনি নিজেও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না প্রথমে এই বিষয়টি

৭. আশার প্রতীক

খ্যাতি পেলেও তিনি বিনয়ীই রয়ে গেছেন। তাঁর গল্প সবাইকে মনে করিয়ে দেয়—নিজের শৈশবের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য কখনোই দেরি হয়ে যায় না।

সূত্র: ইয়াহু স্পোর্টস

ছবি: ইন্সটাগ্রাম

Read full story at source

Mumbai Monsoon Mayhem: Massive Road Cave-In Opens Giant Crater On LBS Marg In Bhandup Amid Heavy Rain, Traffic Disrupted | Video

· Free Press Journal

Mumbai: A nearly 100 ft × 100 ft stretch of LBS Marg in Bhandup (West) caved in on Saturday afternoon amid heavy rainfall, creating a massive crater and disrupting traffic in the area.

The incident occurred around 1 pm on LBS Marg, opposite the Asian Paints premises, where excavation work was underway. According to civic officials, no injuries were reported. However, a tempo parked at the site fell into the collapsed portion of the road after the surface gave way over the excavation pit.

Visit michezonews.co.za for more information.

View this post on Instagram

A post shared by Gilchrist prabhakar (@gilchrist.gilly)

The Brihanmumbai Municipal Corporation's (BMC) S Ward staff rushed to the spot immediately after the cave-in, barricaded the affected area and initiated emergency response measures. Traffic was diverted, and restoration work was taken up to secure the site.

The exact cause of the collapse is yet to be ascertained. However, officials said the ongoing heavy rainfall is believed to have contributed to the cave-in.

To get details on exclusive and budget-friendly property deals in Mumbai & surrounding regions, do visit: https://budgetproperties.in/ 

Read full story at source

জুলাইয়ে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

· Prothom Alo

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে তাঁর সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শহীদদের সর্বোচ্চ সম্মান ও স্বীকৃতি, আহতদের জীবনমান নিশ্চিত করতে এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন ও সহায়তা প্রদানে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

Visit milkshake.it.com for more information.

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’

আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এ দেশের মাটিতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘তবে বিচারের নামে কারো প্রতি যেনো অবিচার না হয়, এ বিষয়ে অবশ্যই আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। একটু বিলম্ব হোক তবুও অন্যায়কারীর যেন সঠিক বিচার হয়, আমরা সেই চেষ্টাই করব।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, শহীদ হয়েছেন, তাঁদের লক্ষ্য–উদ্দেশ্য ছিল দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন। তাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫ আগস্ট যে অর্জন আমরা করেছি, তা একক কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের অর্জন। জনতার সম্মিলিত ত্যাগের ফসল।’

জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া যায় না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই মানুষই ত্যাগ করতে পারে যার, সাহস আছে। সবাই মিলে আমরা যদি দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, তবে একদিন গর্ব করে বলতে পারবেন, আপনার আপন জনের ত্যাগের বিনিময়ে দেশের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। তাই আসুন দেশ, মাটি ও মানুষের কল্যাণে সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।’

‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ জাতীয় সম্মেলনে যোগ দেওয়া কয়েক শ জুলাইযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা সরকার প্রধানের সামনে নিজেদের যন্ত্রণা ও মনের কথা তুলে ধরেন।

সকাল সোয়া ১০টায় পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত এবং জাতীয় সংগীতের পর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জাতীয় এ সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতেও স্মৃতি স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে জুলাই সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Read full story at source