Mouz

Journalist Recoils at Outlandish World Cup Food Prices: ‘Better Be The Best Croissant I’ve Eaten In My Life!”

· Yahoo Sports

Screenshot

Journalist Eddy Dove of ESPN Africa recoiled Saturday when buying several pricey food items at the New York New Jersey MetLife Stadium before the Brazil vs. Morocco World Cup match.

Visit catcross.org for more information.

On a video posted to X by Nigerian journalist Osasu Obayiuwana, Dove went through his items as they were tallied up at the cash register.

“I’m with my colleague here, Ed Dove, of ESPN,” Obayiuwana said. “And he went to get himself some food before our game between Brazil and Morocco. And you can see what is on the tray: some tabouli salad, a bottle of water, a croissant, and a heat and eat meal, Chicken Francese. Ed, can you tell everybody how much this costs?”

“It cost north of $50,” Dove said. “I think it was $52.98. I was admittedly very hungry, but I didn’t ask the price before I purchased. I was a little bit embarrassed to get back in the queue and give it back, so, I went for it. I think the croissant does look quite delicious, though. It better be the best croissant I’ve eaten in my life!”

“But, come on, Ed!” Obayiuwana goaded him. “$53 for this! It’s daylight and nighttime robbery!”

“I would say, recommended retail price, maybe 13 Euros? Maybe 16?” Dove said.

“Yeah, I mean, it’s unbelievable!” Obayiuwana exclaimed.

“I am very hungry, though,” Dove said, with Obayiuwana inviting him to “enjoy your $53-and-some-cents meal!”

The food isn’t the only thing breaking records. Ticket prices for matches are said to be the most expensive in tournament history.

According toThe Athletic, “Between October and April, FIFA hiked prices in at least one ticket category for 95 of the World Cup’s 104 matches; the average increase was 35 percent.

“By the end of the road, a Category 1 ticket to the final cost $10,990, up from $6,730 back in October. Group-stage prices ranged from $140 in Category 3 for less appealing games to $890 in Category 1 for Colombia vs. Portugal and nearly $3,000 for the World Cup opener between Mexico and South Africa.”

FIFA justified the prices as “a reflection of the North American market, where people regularly pay hundreds of dollars to attend sporting events,” and “a source of revenue that would ultimately be re-invested in the development of soccer globally.”

President Donald Trumpwas quoted telling a reporter, “I wouldn’t pay it either, to be honest with you.”

Watch the clip above via X.

The post Journalist Recoils at Outlandish World Cup Food Prices: ‘Better Be The Best Croissant I’ve Eaten In My Life!” first appeared on Mediaite.

Read full story at source

MNS Announces ₹5 Per Litre Petrol Discount For Mumbai Two Wheeler Riders On Raj Thackeray's Birthday

· Free Press Journal

Mumbai, June 14: In a move aimed at providing relief to commuters amid rising fuel prices, the Maharashtra Navnirman Sena (MNS) has announced a special petrol discount for two wheeler riders across Mumbai on the occasion of party chief Raj Thackeray's birthday.

Under the initiative, motorists riding two wheelers will receive petrol at ₹5 less per litre at 36 designated petrol pumps across the city. The scheme is being implemented for one day as part of celebrations marking Raj Thackeray's birthday.

Visit freshyourfeel.org for more information.

Relief Amid Rising Fuel Costs

The announcement comes at a time when concerns over inflation and increasing fuel costs continue to affect household budgets. MNS leaders linked the economic pressure to ongoing geopolitical tensions in the Middle East involving the United States, Israel and Iran, which have contributed to volatility in global energy markets.

Speaking about the initiative, MNS division president Jay Shringarpure said the party wanted to offer some relief to ordinary citizens struggling with the rising cost of living.

"The current situation in the country is difficult. Inflation has increased and petrol prices continue to rise. Through this initiative, we are trying to provide some support to people in our own way," he said.

MNS Targets Centre Over Fuel Prices

MNS leader Sandeep Deshpande also criticised the Central Government over fuel pricing and inflation.

He said that the burden of rising petrol prices was ultimately being borne by the public and argued that more measures should be introduced to ease pressure on consumers.

Deshpande also pointed to fluctuations in the value of the US dollar and their impact on fuel prices, stating that governments should consider providing greater support to citizens affected by inflation.

Navi Mumbai: Rohit Pawar, Jitendra Awhad Among NCP-SP Leaders Detained As Party Protests Over Recent Petrol, Diesel & LPG Price Hike - WATCH

How The Scheme Works

According to the party, the discount will be available only to two wheeler riders.

Key features of the initiative include:

• ₹5 per litre discount on petrol

• Available at 36 petrol pumps across Mumbai

• Applicable only to two wheelers

• Organised to mark Raj Thackeray's birthday

The MNS has previously raised concerns over inflation and fuel price hikes, often urging both the Centre and the state government to take corrective measures.

Party leaders expressed hope that the initiative would offer some immediate relief to commuters and generate a positive response among Mumbai residents facing the impact of rising daily expenses.

Read full story at source

কাঁটাবনের কর্মচারী থেকে বন্যপ্রাণী পাচারের আন্তর্জাতিক চক্রে, ট্রানজিট যেখানে বাংলাদেশ

· Prothom Alo

বিরল বন্য প্রাণী পাচারে আন্তর্জাতিক চক্রের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলেছে। মিরপুরের একটি গুদাম থেকে ইগলপ্যাঁচা, রাজধনেশ, চশমাপরা হনুমানসহ ৪২টি প্রাণী উদ্ধারের পর তদন্তে দেখা যায়, বাংলাদেশ এখন শুধু উৎস দেশ নয়; বরং আন্তর্জাতিক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুট।

Visit mwafrika.life for more information.

রাজধানীর মিরপুরের একটি গুদামে লুকিয়ে রাখা ছিল বিরল প্রজাতির ইগলপ্যাঁচা, হনুমান, রাজধনেশ ও পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপসহ ৪২টি বন্য প্রাণী। বন বিভাগের অভিযানে সেগুলো উদ্ধারের পর সামনে এসেছে আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী পাচারের বড় এক নেটওয়ার্কের তথ্য।

বন বিভাগের তদন্তে উঠে এসেছে, উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলো কেবল একটি চালান। এর আড়ালে বহু বছর ধরে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র শুধু বাংলাদেশি প্রাণীই নয়, বিভিন্ন দেশের বন্য প্রাণীও বাংলাদেশের রুট ব্যবহার করে বিদেশে পাচার করছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই চক্রের সদস্যরা পাহাড়ি বনাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা বিরল প্রাণী ঢাকায় এনে মজুত করতেন। পরে বিমানবন্দর ও সীমান্তপথ ব্যবহার করে সেগুলো পাচার করা হতো দুবাই, কাতার, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, চীন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে। চক্রটি এক দশকের বেশি সময় ধরে বন্য প্রাণী পাচার করে আসছে।

বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা হাদিস রহমান একসময় রাজধানীর কাঁটাবনের একটি পোষা প্রাণীর দোকানে কর্মচারী ছিলেন। সেখানেই কাজ করতে করতে আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী পাচারকারী চক্রের সঙ্গে তিনি যুক্ত হন। চার বছর আগে মিরপুরে নিজে একটি পোষা প্রাণীর দোকান খোলেন। তার আড়ালে চলত পাচার।

গত মঙ্গলবার বন অধিদপ্তরের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট মিরপুরের ওই গুদামে অভিযান চালায়। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বাংলাদেশ এখন আর শুধু উৎস দেশ নয়, আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী পাচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ট্রানজিট রুট’ হিসেবেও ব্যবহার করছে পাচারকারীরা। ভারত থেকে বিভিন্ন প্রাণী বাংলাদেশের রুট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠাচ্ছে চক্রটি। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে বন্য প্রাণী বাংলাদেশের রুট ব্যবহার করে ভারতেও পাঠানো হচ্ছে।

কাঁটাবন থেকে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে

পাহাড়ের স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে অর্থের বিনিময়ে বিরল প্রাণী সংগ্রহ করতেন হাদিস রহমান

মিরপুরের অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া বন্য প্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক প্রথম আলোকে বলেন, গুদামটির মালিক হাদিস রহমান ও তাঁর স্ত্রী এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাঁরা বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণী সংগ্রহ করে আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর বিমানবন্দর ব্যবহার করে এগুলো পাচার করেন।

বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা হাদিস রহমান একসময় রাজধানীর কাঁটাবনের একটি পোষা প্রাণীর দোকানে কর্মচারী ছিলেন। সেখানেই কাজ করতে করতে আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী পাচারকারী চক্রের সঙ্গে তিনি যুক্ত হন। চার বছর আগে মিরপুরে নিজে একটি পোষা প্রাণীর দোকান খোলেন। তার আড়ালে চলত পাচার।

কর্মকর্তাদের দাবি, এর আগে অন্তত চারবার ধরা পড়লেও আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যান হাদিস। এ কারণে চক্রটি বারবার সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর একটি ইগলপ্যাঁচা। সাধারণ লক্ষ্মীপ্যাঁচার চেয়ে এটি আকারে অনেক বড়

গত সোমবার কক্সবাজার থেকে ১টি হনুমান, ১২টি কচ্ছপসহ হাদিস রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে বন বিভাগ। আদালত তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

—অসীম মল্লিক, বন্য প্রাণী পরিদর্শক, বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট, বন অধিদপ্তরঅনেক সময় বিদেশি পোষা প্রাণী যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীন হয়ে বাংলাদেশে আসে। পরে সেগুলো ভারতে পাচার করা হয়। আবার ভারত থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন পাখির নখ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বাংলাদেশের রুট ব্যবহার করে চীনে পাঠানো হয়। বিদেশ থেকে সরাসরি ভারতে পাঠালে ধরা পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় পাচারকারীরা এই দীর্ঘ রুট ব্যবহার করে।

বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা হাদিস রহমানকে নজরদারিতে রেখেছিলেন। বছরের বড় একটি সময় তিনি পাহাড়ের গহিন অরণ্যে কাটাতেন। পাহাড়ের স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে অর্থের বিনিময়ে বিরল প্রাণী সংগ্রহ করতেন তিনি। তারপর এসব প্রাণী বিদেশে পাচার করতেন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের অনেককেই শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে।

রাজধনেশ, চশমাপরা হনুমানসহ ৪২টি বন্য প্রাণী উদ্ধার, আটক ১মিরপুর থেকে উদ্ধার হওয়া শজারু

উদ্ধার প্রাণীগুলোর বেশির ভাগই বিপন্ন প্রজাতির

মিরপুরের গুদাম থেকে উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর অধিকাংশই সংরক্ষিত ও বিপন্ন প্রজাতির বলে জানিয়েছেন বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম হলো ইগলপ্যাঁচা। সাধারণ লক্ষ্মীপ্যাঁচার চেয়ে এটি আকারে অনেক বড় এবং দেখতে অনেকটা ইগলের মতো। মূলত সিলেট ও চট্টগ্রামের গভীর অরণ্যে এদের বসবাস। সাপ, ব্যাঙ ও ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী খেয়ে তারা খাদ্যশৃঙ্খলের ভারসাম্য বজায় রাখে।

মিরপুরের গুদাম থেকে উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর অধিকাংশই সংরক্ষিত ও বিপন্ন প্রজাতির বলে জানিয়েছেন বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কর্মকর্তারা। উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের মধ্যে আছে ইগলপ্যাঁচা, চশমাপরা হনুমান, রাজধনেশ, লজ্জাবতী বানর, শজারু, তিনটি গন্ধগোকুল ও পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপ।

অভিযানে উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর মধ্যে আরও আছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের আলীকদম, লামা ও খাগড়াছড়ির গভীর অরণ্যের চশমাপরা হনুমান। আছে রাজধনেশও। বিশাল আকৃতির এই পাখি সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলের উঁচু গাছের কোটরে বাসা বাঁধে। এ ছাড়া আছে লজ্জাবতী বানর, শজারু ও তিনটি গন্ধগোকুল। এর মধ্যে একটি গন্ধগোকুলকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। গন্ধগোকুলের সাতটি প্রজাতি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন মাত্রার ঝুঁকির মধ্যে আছে।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর মধ্যে পাহাড়ি হলুদ কচ্ছপও আছে। এই প্রাণী পাহাড়ি পরিবেশের স্বাস্থ্যনির্দেশক। ১০০ থেকে ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকা এই কচ্ছপ যেখানে পাওয়া যায়, সেখানে পরিবেশগত ভারসাম্য এখনো অনেকটা অক্ষুণ্ন রয়েছে বলে ধরা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব প্রাণী শুধু বনের বাসিন্দা নয়, পুরো বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যে পথ ধরে পাহাড় থেকে পাচার হয় বন্য প্রাণীপাহাড়ি হলুদ কচ্ছপ

বাংলাদেশ এখন ট্রানজিট রুট

বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী পাচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন দেশ থেকে প্রাণী ও প্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বাংলাদেশে এনে পরবর্তীকালে অন্য দেশে পাঠানো হচ্ছে। পাচারকারীরা নজরদারি এড়াতে জটিল ও দীর্ঘ রুট ব্যবহার করছে।

বন্য প্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক প্রথম আলোকে বলেন, অনেক সময় বিদেশি পোষা প্রাণী যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীন হয়ে বাংলাদেশে আসে। পরে সেগুলো ভারতে পাচার করা হয়। আবার ভারত থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন পাখির নখ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বাংলাদেশের রুট ব্যবহার করে চীনে পাঠানো হয়।

অসীম মল্লিকের ভাষ্য, বিদেশ থেকে সরাসরি ভারতে পাঠালে ধরা পড়ার ঝুঁকি বেশি থাকায় পাচারকারীরা এই দীর্ঘ রুট ব্যবহার করে।

পাচারের জন্য রাখা একটি উল্লুক ও ১২টি কচ্ছপ উদ্ধারের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তির কারাদণ্ডরাজধনেশ। বিশাল আকৃতির এই পাখি সাধারণত পাহাড়ি অঞ্চলের উঁচু গাছের কোটরে বাসা বাঁধে

কচ্ছপের মাংস, খোলস ও অলংকারের বাজার

তদন্তে জানা গেছে, ভারত ও চীন থেকে আনা স্টার টরটয়েজসহ বিভিন্ন বিরল কচ্ছপ বাংলাদেশ হয়ে দুবাই, কাতার, ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হয়।

কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এসব কচ্ছপের মাংস ও খোলসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাংস দিয়ে তৈরি করা হয় বিশেষ ধরনের স্যুপ। আর খোলস ব্যবহার করা হয় মূল্যবান অলংকার ও শৌখিন সামগ্রী তৈরিতে। ভারত ও চীন থেকে এসব কচ্ছপ সড়কপথে বাংলাদেশে আনা হয়। এরপর আকাশপথ বা স্থলপথে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়।

গত বছরের অক্টোবরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টা করা ৯২৫টি কচ্ছপ উদ্ধার করে বন বিভাগের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। এর মধ্যে ছিল ১৪৫টি স্টার টরটোয়েজ (কচ্ছপ) ও ৭৮০টি কড়িকাইট্টা কচ্ছপ।

বন্য প্রাণী পাচারের ‘ট্রানজিট’ চট্টগ্রামউদ্ধার হওয়া গন্ধগোকুল

মোহাম্মদ শওকত আলী ভূঁইয়া নামের এক যাত্রীর লাগেজ স্ক্যানের সময় এসব কচ্ছপ ধরা পড়ে। তবে শওকত পালিয়ে যান।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিমানবন্দর ও সীমান্তপথের দুর্বল নজরদারির সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধ চক্রগুলো দেশকে আন্তর্জাতিক ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। স্বর্ণ ও মাদক শনাক্তে বিমানবন্দর ও সীমান্তে তুলনামূলক কঠোর নজরদারি থাকলেও বন্য প্রাণী শনাক্তে এখনো রয়েছে প্রযুক্তিগত ও জনবলসংকট। এতে জীবন্ত প্রাণী কিংবা প্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অনেক ক্ষেত্রেই নজরদারি এড়িয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে পৌঁছে যাচ্ছে।

বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণী পাচার দেশের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বনের প্রতিটি প্রাণী বাস্তুসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি প্রজাতি হারিয়ে গেলে তার প্রভাব পড়ে পুরো খাদ্যশৃঙ্খলে। দীর্ঘ মেয়াদে এর ফল হতে পারে পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা এবং নীরব এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

Read full story at source